ঢাকা: রাত ১০:২১ মিনিট, বৃহস্পতিবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ,গ্রীষ্মকাল, ১০ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি
আন্তর্জাতিকবিশেষ প্রতিবেদন

ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো লিওনেল মেসি পেলেন ব্যালন ডি’অর পুরস্কার

ডি’অর পুরস্কার

এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম নিউজ ডেস্ক,এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম : ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও ভার্জিল ফন ডাইককে হারিয়ে ২০১৯ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জেতেন মেসি। প্যারিসে সোমবার এক জমকালো অনুষ্ঠানে তার হাতে ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ –এর পুরস্কার তুলে দেন গতবারের বিজয়ী লুকা মদ্রিচ।

বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের ভোটে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো পুরস্কারটি জিতলেন আর্জেন্টাইন তারকা। এতদিন সমান পাঁচবার করে পুরস্কারটি জয়ের রেকর্ড ছিল মেসি ও রোনালদোর। এমন অর্জনের পর প্রতিক্রিয়ায় সতীর্থদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।

“যেসব সাংবাদিকরা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং চেয়েছেন যে আমি এই পুরস্কার জিতি, তাদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই। আমার সতীর্থদের অনেক অনেক ধন্যবাদ যারা সত্যি এই পুরস্কার জয়ে অনেক বেশি অবদান রেখেছে। এটা অবিশ্বাস্য, সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।”

বরাবরের মতো গত মৌসুমটাও দারুণ কাটে মেসির। বার্সেলোনাকে লা লিগা জেতাতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কাতালান ক্লাবটির চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে ও কোপা দেল রের ফাইনালে ওঠাতেও বড় অবদান ছিল আর্জেন্টাইন তারকার।

ক্লাব পর্যায়ে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে আরও বেশি উজ্জ্বল ছিলেন ৩২ বছর বয়সী এই ফুটবলার। লা লিগায় সর্বোচ্চ ৩৬ গোল করে একই সঙ্গে জিতে নেন পিচিচি ট্রফি ও ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে করেন সর্বোচ্চ ১২ গোল। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে গেল মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৮ ম্যাচ খেলে ৫৪ গোল করেন মেসি।

২০০৯ সালে প্রথম বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন মেসি। ফিফার বর্ষসেরা ও ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর ব্যালন ডি’অর পুরস্কার শুরুতে আলাদাভাবে দেওয়া হতো। সেবছর দুটিই জিতেছিলেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছয় বছর দুটি পুরস্কার একীভূত হয়ে নাম হয় ফিফা ব্যালন ডি’অর। পরপর তিন বছর ওই পুরস্কার জিতেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। এর পরের দুই বছর রোনালদো জেতার পর ২০১৫ সালে আবারও পুরস্কারটি জিতে নেন মেসি, জিতেন ওই সময়ের রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো।

Hur Agency

এমন আরো সংবাদ

হট নিউজটি পড়বেন?
Close
Back to top button