খেলাধুলাবিশেষ প্রতিবেদন

এসএ গেমস এর তাইকোয়ান্দো থেকে দিপু চাকমা বাংলাদেশকে এনে দিলেন প্রথম সোনা

এসএ গেমস ২০১৯ইং

এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম স্পোর্টস ডেস্ক,এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম : কাঠমান্ডুর সাদদোবাদোর ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে তাইকোয়ান্দোতে সোমবার ছেলেদের ২৯ (প্লাস) বয়স ক্যাটাগরিতে ৮ দশমিক ২৮ ও ৭ দশমিক ৯৬ স্কোর গড়ে সেরা হন দিপু। প্রথমবারের মতো এসএ গেমস খেলতে এসেই বাজিমাত করলেন তিনি।

এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম এর আগে অবশ্য গত ১৪ ও ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং তারিখে ভারতের আসামের শিলচরে কাছাড় জেলা তাইকোয়ান্দো সংস্থা আয়োজিত ডন বস্কো স্কুলে ১ম ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ তাইকোয়ান্দো চাম্পিয়ানশিপ প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশের পক্ষে রয়েল তাইকোয়ান্দো স্কুলের হয়ে ফ্রন্ট লাইন তাইকোয়ান্দোর ফাউন্ডার ও চীফ ইন্সটেক্‌টর এ এফ এম মারুফ মাইনাস ৮০ কেজিতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম স্বর্ণ পদক অর্জন করেন।

এসএ গেমস এর এই ইভেন্টে দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ৫টি সোনা ও একটি রুপা জয়ের স্বাদ পেলেও আন্তর্জাতিক ইভেন্টে এটাই দিপুর প্রথম সেরার সাফল্য। স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাসে ভাসছেন রাঙামাটি থেকে উঠে আসা এই অ্যাথলেট।

“দেশের বাইরে খেলতে এসেছি, দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। দেশকে কিছু দিতে পেরে গর্বিত। এই আনন্দ আমি আসলে এখনও বুঝতে পারছি না। আমার হাত ধরে যদি প্রথম সোনার পদক এসে থাকে, তাহলে এই আনন্দ আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।”

“এর আগে কোনো অফিসিয়াল গেমসে কখনও সোনার পদক পাইনি। অন্যান্য দেশে খেলতে গিয়ে সোনার পদক পেয়েছি। এখানে জিতে অনেক গর্ববোধ করছি। আমি আসলে এখনও ঘোরের মধ্যে আছি। আসলে আমরা গোল্ড মেডেলের লক্ষ্য নিয়ে এখানে এসেছি। প্রস্তুতিও সেরকম ছিল।”

২০০১ সালে তাইকোয়ান্দো খেলা শুরু করলেও ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত হন দিপু। নেপালে আসার এক মাস আগে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ মিন হাক সের অধীনে কাজ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করা এই অ্যাথলেট।

বাংলাদেশ অলিম্পিকের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা জানালেন, তাইকোয়ান্দো থেকে আরও পদক পাওয়ার আশাবাদ।

“আমি সবসময় আশাবাদী। মাহমুদুল ইসলাম রানা (সাধারণ সম্পাদক) ফেডারেশনের সঙ্গে ছিল। তার দক্ষতার পরিচয় আপনারা পেয়েছেন। ইনশাল্লাহ তাইকোয়ান্দো থেকে আমাদের আরও পদক থাকবে।”

এর আগে কারাতের কাতা ইভেন্ট থেকে দেশকে প্রথম পদক এনে দেন হুমায়রা আক্তার অন্তরা। পরে ছেলেদের ইনডিভিজ্যুয়াল কাতায় ব্রোঞ্জ জেতেন হাসান খান সান। মেয়েদের দলীয় কাতা থেকেও ব্রোঞ্জ পেয়েছে বাংলাদেশ।

এমন আরও সংবাদ

Back to top button