আন্তর্জাতিকবিশেষ প্রতিবেদন

ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পে নিহত ১১

ফিলিপিন্সে শক্তিশালী ভূমিকম্প

এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকমনিউজডেস্ক,এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম: সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ১১ মিনিটে ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পটি হয় বলে ফিলিপিন্স ইনিস্টিটিউট অব ভলকানোলজি এন্ড সিসমোলজির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খবর বিবিসির।

ভূমিকম্পে একটি বিমানবন্দর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দুটি ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে।

রাজধানী ম্যানিলার উত্তরপশ্চিমে পামপানগা প্রদেশে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের ভিতরে বহু লোক আটকা পড়ে আছেন বলে শঙ্কা কর্তৃপক্ষের।

ভূমিকম্পে এ প্রদেশটিতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আটকা পড়াদের মধ্যে ২০ জনেরও বেশি আহত জানিয়ে প্রদেশটির গভর্নর লিলিয়া পিনেদা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “তাদের কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। ব্যথায় কাঁদছেন তারা। তাদের বের করে আনা কঠিন হবে।”

ভূমিকম্পের পর একটি দোকান থেকে তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং লুবাও শহরে এক নারী ও তার নাতিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে পিনেদা এবিএস-সিবিএন টেলিভিশনকে জানিয়েছেন।

এ পর্যন্ত ২০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানী ম্যানিলায়ও ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে। ম্যানিলার বাণিজ্যিক এলাকার আকাশচুম্বি ভবনগুলোকে কয়েক মিনিট ধরে দুলতে দেখা গেছে।

গাড়ি পথে ম্যানিলা থেকে এক ঘণ্টা দূরত্বের ক্লার্ক ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখানে অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

লুজনের সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছেন। একটি ভিডিওতে একটি আকাশচুম্বি ভবনের একপাশ দিয়ে ছাদের সুইমিংপুল থেকে ঝরনার মতো পানি ঝরতে দেখা গেছে।

ভূমিকম্পের কারণে ম্যানিলার দে লা সাল বিশ্ববিদ্যালয় মঙ্গলবার বন্ধ রাখা হয়েছে। ভূমিকম্পে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনগুলোর কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে।

ফিলিপিন্স দ্বীপপুঞ্জ বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ফল্ট লাইন ‘দ্য প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’ (প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা) এর অংশ হওয়ায় এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

এমন আরও সংবাদ

Back to top button