ঢাকা: রাত ১০:১৬ মিনিট, বৃহস্পতিবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ,গ্রীষ্মকাল, ১০ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি
শিক্ষা

প্রাথমিকে ৯৭.৫৯% পাস, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯ % এবং জেএসসি-জেডিসিতে ৮৫.৮৩ % পাস

প্রাথমিক এবং জেএসসি রেজাল্ট প্রকাশ

এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকমনিজস্ব প্রতিবেদক, এএনবি নিউজএজেন্সি ডটকম: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং ইবতেদায়ীতে ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ  এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায়  পাস করেছে ৮৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। এ বছর অষ্টম শ্রেণিতে ৬৮ হাজার ৯৫ জন পেয়েছে জিপিএ-৫ পেয়ে শিক্ষার্থী পাস করেছে ।

এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন। আর ইবতেদায়ীতে ১২ হাজার ২৬৪ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার সোমবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। পরে দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।

গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন; আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন।

এই হিসাবে এবার পঞ্চম শ্রেণির এই সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ জিপিএ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবার বেড়েছে।

গত ১৮ থেকে ২৬ নভেম্বর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

মোবাইলে ফল জানতে

যে কোনো মোবাইল ফোন থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রাথমিক সমাপনীর ফল জানা যাবে।

আর ইবতেদায়ীর ফল পেতে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম পাঁচ সংখ্যা উপজেলা/থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জানা যাবে।

এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট থেকেও প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনীর ফল জানা যাবে।

আর

সেই হিসেবে এবার এ পরীক্ষায় পাসের হার বাড়লেও পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বড় ধস নেমেছে।

বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।

গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে সম্মিলিতভাবে ৮৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ জন পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পেয়েছিল।

ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তরের পর শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে অষ্টমের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয়ের নম্বর ধরেই ফলাফল হিসাব করা হত। মূল্যায়ন পদ্ধতির ধারাবাহিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এবার তা করা হয়নি।

এ কারণেই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “চতুর্থ বিষয়ের নম্বর যোগ করলে দেখা যাবে জিপিএ ফাইভ আবার বেড়ে গেছে।”

বেলা ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ এবারের জেএসসি-জেডিসির ফলাফলের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। তার সংবাদ সম্মেলনের পরেই শিক্ষাথীরা ফল জানতে পারবে।

গত ১ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী জেএসসি-জেডিসিতে অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২২ লাখ ৩০ হাজার ৮২৯ জন।

এর মধ্যে আট বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে পাসের হার ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। আর মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে পাস করেছে ৮৯ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।

সোমবার গণভবনে একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

তবে প্রাথমিকের পাসের হার বা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা তিনি প্রকাশ করেননি। দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এবারের প্রাথমিক সমাপনীর ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার কথা রয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রীর।

গণভবনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানর শিক্ষার্থীদের হাতে ২০১৯ সালের  নতুন বই তুলে দিয়ে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

মোবাইলে ফল জানতে

যে কোনো মোবাইল থেকে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

এছাড়া শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboardresults.gov.bd) এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল জানা যাবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ই-মেইলেও জেএসসি-জেডিসির ফলাফলের সফটকপি পাঠাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড। প্রয়োজনে এদের কাছ থেকেও ফলাফলের কপি সংগ্রহ করা যাবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে।

Hur Agency

এমন আরো সংবাদ

হট নিউজটি পড়বেন?
Close
Back to top button